কাজল দত্ত ::
নেপালের কাঠমুন্ডু থেকে প্রায় ৯০০ কিলোমিটার দূরে সুদূর মহেন্দ্রনগর গ্রাম থেকে উঠে আসা কাবাডি খেলোয়াড়ের নাম বিষ্ণু ভাট। দীর্ঘ ২১ বছর যাবৎ নেপালের কাবাডি দলের হয়ে জাতীয় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খেলায় অংশগ্রহণ করেন। তারপর খেলোয়াড়ি জীবনের অবসর নিলও থেমে যাননি শুরু করেন কোচ হিসেবে নতুন জীবন। দায়িত্ব নেন প্রশিক্ষক হিসেবে নেপাল জাতীয় দলের। বর্তমান নেপাল দলের প্রধান প্রশিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন। তার ঘরে রয়েছে দুই ছেলে ও এক মেয়ে। প্রশিক্ষক হিসাবে ১৯৯৩ সালে প্রথম ভারতে কাবাডি টিমের সাথে যান এরপর আর থামতে হয়নি।

পরপর দুইবার আসেন পুরুষ দলের প্রধান প্রশিক্ষক হিসাবে বাংলাদেশে। এসময় নেপাল পুরুষ দল আন্তর্জাতিক কাবাডি প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের কাছে হেরে রানার্সআপ হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড কাপ মহিলা কাবাডি প্রতিযোগিতায় ২০২৫ সালে নেপাল কাবাডি দল অংশগ্রহণ করে। ১১ টি দল অংশগ্রহণ করে এ দলে অংশগ্রহণ করে ভারত, উগান্ডা, থাইল্যান্ড, জার্মান ও বাংলাদেশ বি গ্রুপে অংশগ্রহণ করে ইরান, নেপাল, চাইনিজ, তাইপে,পোল্যান্ড, কেনিয়া ও জিনজিবার। এবার ওয়ার্ল্ড কাপে কাবাডিতে তাদের আশা ফাইনালে খেলা। মহিলা টিমের প্রশিক্ষকের দায়িত্ব পালন কালে তার দল ২০২৩ সালে এশিয়ান গেমসে তৃতীয় স্থান অধিকার করে. ২০২৫ সালে ইরানে অনুষ্ঠিত এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে নেপাল মহিলা কাবাডি দল তৃতীয় স্থান অধিকার করে। বাংলাদেশে পরপর তিনবার আসতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছেন তিনি।
বিষ্ণু ভাট বলেন, বাংলাদেশ যেন আমার দ্বিতীয় বাড়ি। তিনি তার পরিবার নিয়ে বাংলাদেশে আসবেন বেড়াতে। বাংলাদেশ কাবাডি দলের ছেলে-মেয়েদের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল বলে তিনি মনে করেন।
তিনি আরো বলেন, এই বাংলাদেশ দলকে যদি নিয়মিত প্রশিক্ষণ দেওয়া যায় তাহলে কাবাডি খেলার মান আরো বাড়বে। বাংলাদেশ মহিলা দলের কাবাডি খেলা দেখে তিনি বলেন এ দলকে আরো উন্নতি করতে হবে তাহলে এরা অনেক ভালো করবে।


















